শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

কেশবপুরের বেতীখোলা বাজারে চলছে রসালো ফল তালের শাঁস খাওয়ার ধুম

আবু জার গিফারী
———————————-
চলছে মধুমাস। এই মাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে হরেক রকমের সুস্বাদু ফল। ফলের তালিকায় রয়েছে, আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ছাড়াও অন্যতম আরেকটি ভিন্নধর্মী ফল তালের শাঁস। তাল ফলের নরম অংশটি খুবই সুস্বাদু। গ্রাম্য ভাষায় এটি “তালকুর” নামে বেশি পরিচিত। প্রচন্ড গরমে তালের এই শাঁসটি শহর ও গ্রামের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়।
বর্তমানে শহর থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন অলিগলিতে এই মৌসুমী ফল তালের শাঁস বিক্রির বেড়ে। অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাল গাছ থেকে অপরিপক্ক তাল ফল পাইকারী কিনে এনে কেটে কেটে বিভিন্ন দামে বিক্রয় করে। তবে নরম অবস্থায় তাল শাঁসের দাম অনেক বেশি। কিন্তু,দিন যতই যেতে থাকে এই তাল শাঁস ততই শক্ত হতে থাকে। তখন শাঁসের দাম কমতে থাকে এবং এক সময় তাল পরিপক্ক হয়ে গেলে তখন আর এই শাঁস খাওয়া সম্ভব হয় না।
গ্রীষ্মের এই দিনে বেতীখোলা বাজারে তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার হয়ে উঠেছে । তাই সবার হাতে পোঁছে যায় কঁচি তালের শাঁস। তালের শাঁস বর্তমানে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। বিক্রেতা শাঁস কেটে সারতে পারছে না,ক্রেতারা দাড়িয়ে রয়েছে শাঁস নিতে।
বেতীখোলা বাজারের তাল শাঁস বিক্রেতা রোস্তম আলী (৩৫) বলেন, প্রতি বছরই এ সময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে সংসার চালাই। গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তাল ক্রয় করে গাছ থেকে পেরে এনে শাঁস বিক্রি করেন। তবে গাছ ওঠে, বাঁধা ধরে পাড়া সবচেয়ে কষ্টকর। প্রতিদিন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ শাঁস বিক্রি করা যায়। একটি শাঁস আকার ভেদে ৫ থেকে ১০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এতে তার প্রায় দেড় হাজার টাকা বিক্রি হয়।
ক্রেতারা জানান, এখন গরমের সময় রসালো এই ফল খুবই ভালো লাগে আমাদের। প্রচন্ড গরমে এ ফল শরীলের জন্য অনেক উপকারী ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা